কবিতা
যখন জন্ম নিলাম. .হসপিটাল বলল "মৃত!" আমি প্রতিবাদ করিনি সবাই দুঃখ প্রকাশ করলো , বলল গাছ বাঁচলে ফল আবার হবে। আমি বেঁচে আছি. .. যেভাবে বেঁচে থাকে কুবলয় কালো পাঁক ঘেঁটে । তার পর থেকে কতশত বার বার মেরেছো আমায়...!! শৈশব মরে গেল একা একা নিঃসঙ্গ দুপুরে । রেল কলোনির ঝিমঝিমে শীত সন্ধ্যায় । কোনো এক অখ্যাত শেয়াল ডাকা আধা শহরের গলিতে. ... আমার কৈশোর প্রেম অবহেলা য় মেরেছে আমায়। দেওয়ালের আনাচ কানাচ খবর রেখেছে তার । রেখে ছে খতিয়ান ত্রয়োদশীর চোখের জলের । কোনো এক বসন্ত পঞ্চমীর রাত , তুমি নিজে হাতে মরনমালা গলায় দিলে আমার ।-''- আজ আবার জীবনের শেষ প্রদক্ষিণ শেষ মৃত্যু টুকু বাকী ছিল কোথাও কোনখানে । তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে শেষ বারের মতো মৃত্যুর আঘ্রাণ নিলাম । এবার আমার না। কিংবা আমারই ... প্রথমে মুক্তি চাইলে আস্তে আস্তে ক্ষীণ থেকে ক্ষীণ হয়ে আলো!! আমাকে বসিয়ে রেখে হাসি মুখে বললে... "আসছি" আমিতো সেদিন এসো বলতে ভুলিনি। দরজা খোলা ও ছিল । দুপুরের বাড়া ভাতে মাছি বসে বিকেলের চা ঠান্ডা হলো । মুড়ি দিয়ে খাবার কথা ছিলো। তাও পরে রইলো । আমি মৃত বলে জানান দিলো তোমার না আসা। রাত ভোর হলো। রেডিওতে বাংলা খবর সুভাষিতানি... পাঠকের পরিচিত স্বর পাখিদের ডাক,দুধ পেপার. ..পাউরুটি ওলা জানান দিলো সব এক আছে আমার সেবা ...সংসারের কাজের পাহাড়ের অক্লান্ত ঘূর্ণি আর বুননে । আমি রাতের বিছানায় চলে যাই অন্ধকারে বালিকার মতো কেঁদে উঠে বলি "যেখানেই থাকো ভালো থাকো।" জীবনপলির মাঝে পদ্মে মতো জেগে থাকে তোমার ভালোবাসা । আমি আবারও বেঁচে আছি । থাকবো ও.... তবে কেন জানি না সন্ধ্যে হলে বুকের বাঁদিক টায় একটা চিনচিনে ব্যাথা হয়। আর দুপুর বেলায় খোলা জানালায় বসে হঠাৎ করে চশমার কাঁচ টা ঝাপসা হয়ে যায় ।
মৃতজা
নন্দিনী ব্যানার্জি
যখন জন্ম নিলাম. .হসপিটাল বলল "মৃত!" আমি প্রতিবাদ করিনি সবাই দুঃখ প্রকাশ করলো , বলল গাছ বাঁচলে ফল আবার হবে। আমি বেঁচে আছি. .. যেভাবে বেঁচে থাকে কুবলয় কালো পাঁক ঘেঁটে । তার পর থেকে কতশত বার বার মেরেছো আমায়...!! শৈশব মরে গেল একা একা নিঃসঙ্গ দুপুরে । রেল কলোনির ঝিমঝিমে শীত সন্ধ্যায় । কোনো এক অখ্যাত শেয়াল ডাকা আধা শহরের গলিতে. ... আমার কৈশোর প্রেম অবহেলা য় মেরেছে আমায়। দেওয়ালের আনাচ কানাচ খবর রেখেছে তার । রেখে ছে খতিয়ান ত্রয়োদশীর চোখের জলের । কোনো এক বসন্ত পঞ্চমীর রাত , তুমি নিজে হাতে মরনমালা গলায় দিলে আমার ।-''- আজ আবার জীবনের শেষ প্রদক্ষিণ শেষ মৃত্যু টুকু বাকী ছিল কোথাও কোনখানে । তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে শেষ বারের মতো মৃত্যুর আঘ্রাণ নিলাম । এবার আমার না। কিংবা আমারই ... প্রথমে মুক্তি চাইলে আস্তে আস্তে ক্ষীণ থেকে ক্ষীণ হয়ে আলো!! আমাকে বসিয়ে রেখে হাসি মুখে বললে... "আসছি" আমিতো সেদিন এসো বলতে ভুলিনি। দরজা খোলা ও ছিল । দুপুরের বাড়া ভাতে মাছি বসে বিকেলের চা ঠান্ডা হলো । মুড়ি দিয়ে খাবার কথা ছিলো। তাও পরে রইলো । আমি মৃত বলে জানান দিলো তোমার না আসা। রাত ভোর হলো। রেডিওতে বাংলা খবর সুভাষিতানি... পাঠকের পরিচিত স্বর পাখিদের ডাক,দুধ পেপার. ..পাউরুটি ওলা জানান দিলো সব এক আছে আমার সেবা ...সংসারের কাজের পাহাড়ের অক্লান্ত ঘূর্ণি আর বুননে । আমি রাতের বিছানায় চলে যাই অন্ধকারে বালিকার মতো কেঁদে উঠে বলি "যেখানেই থাকো ভালো থাকো।" জীবনপলির মাঝে পদ্মে মতো জেগে থাকে তোমার ভালোবাসা । আমি আবারও বেঁচে আছি । থাকবো ও.... তবে কেন জানি না সন্ধ্যে হলে বুকের বাঁদিক টায় একটা চিনচিনে ব্যাথা হয়। আর দুপুর বেলায় খোলা জানালায় বসে হঠাৎ করে চশমার কাঁচ টা ঝাপসা হয়ে যায় ।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন